Home / ত্বকের যত্ন / অল্প দিনেই ত্বককে ফর্সা এবং উজ্জ্বল করতে এই ফেস মাস্কটির কোনও বিকল্প নেই!

অল্প দিনেই ত্বককে ফর্সা এবং উজ্জ্বল করতে এই ফেস মাস্কটির কোনও বিকল্প নেই!

ক্রিমে এমন কিছু কেমিক্যাল থাকে, যা ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র নানা খারাপ করতে শুরু করে। তাই তো এই সব ক্রিম ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক পদ্ধতির উপর বেশি ভরসা রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু প্রশ্ন হল কীভাবে কাজে লাগাতে হবে নানাবিধ প্রাকৃতিক উপাদানকে? এক্ষেত্রে এই প্রবন্ধটি আপনাকে সাহায্য করতে পারে। কারণ এই লেখায় প্রকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি এমন একটি ফেস মাস্কের প্রসঙ্গে আলোচনা করা হল, যা অল্প দিনের ত্বকের সৌন্দর্য ফেরানোর পাশাপাশি একাধিক স্কিন ডিজিজের উপশমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মধু এবং দইয়ের সহযোগে বানাতে হবে এই ফেস মাস্কটি। এক্ষেত্রে যে যে উপকরণগুলির প্রয়োজন পরবে, সেগুলি হল- ৭ টা গোলাপের পাপড়ি, ২ চামচ বিশুদ্ধ গোলাপ জল, ২ চামচ দই এবং ১ চামচ মধু।

ফেস মাস্কটি বানানোর পদ্ধতি:
পরিমাণ মতো গোলাপ জলে গোলাপ পাপড়িগুলো কম করে ৫ মিনিট চুবিয়ে রাখুন। সময় হয়ে গেলে গোলাপ পাপড়িগুলিকে হাত দিয়ে পিষে নিন। তারপর তাতে মধু এবং দই মিশিয়ে ভাল করে নারান। যাতে সব কটি উপকরণ ঠিক মতো মিশে যেতে পারে। যখন দেখবেন উপকরণগুলি ভাল রকম মিশে গেছে, তখন অল্প করে পেস্টটা নিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে মাসাজ করুন। এমনটা করলে পেস্টটা ত্বকের একেবারে ভিতর পর্যন্ত চলে যাবে। এরপর ১৫ মিনিট পেস্টটা মুখে লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ধীরে ধীরে ত্বক ফর্সা হয়ে উঠবে:
মধু এবং দই, ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটাতে শুরু করে। দই এখানে ব্লিচিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। তাই তো এই ফেস মাস্কটি টানা ১০-১২ দিন মুখে মাখলে ত্বক ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

বলিরেখা কমে যায় এবং ত্বক টানটান হয়:
এই ফেস মাস্কটি প্রতিদিন লাগালে ত্বক ফর্সা তো হয়ই, সেই সঙ্গে বলিরেখা কমে যায় এবং ত্বক টানটান হয়ে ওঠে। ফলে ত্বকের বয়স কমে গিয়ে সৌন্দর্য চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, ফেস মাস্কটির সঙ্গে অল্প করে অলিভ অয়েল মিশিয়ে মুখে লাগালে আরও বেশি উপকার পাওয়া যায়। তবে ঠেমনটা আগেও বলা হয়েছে যে এই ফেস মাস্কটি টানা ১২ দিন মুখে লাগাতে হবে। তবেই কিন্তু ফল মিলবে।

ব্রণর প্রকোপ কমে যাবে:
দই এবং মধুতে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট থাকায় এই ফেস মাস্কটি ব্রণ কমাতে দারুন কাজে আসে। শুধু তাই নয়, ত্বকের উপরিঅংশে জমে থাকা মৃত কোষের আবরণ সরিয়ে দিয়ে স্কিনকে উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

পুড়ে যাওয়া ত্বকের পরিচর্যায় কাজে আসে:
এই ফেস মাস্কটি ট্যান হয়ে যাওয়া ত্বককে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি চুলকানি, ইরিটেশন, এবং লাল ভাব কমাতেও দারুন কাজে আসে।

দই, মধু এবং গোলাপ জল ত্বককে নরম এবং সুন্দর করে তোলে। সেই সঙ্গে স্কিনকে আদ্র করে তুলে ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তোলে। সেই কারণেই তো বিশেষজ্ঞরা ফর্সা ত্বক পাওয়ার ক্ষেত্রে এই ফেস মাস্কটির উপর ভরসা রাখার পরামর্শ দেন।

তথ্যসুত্রঃ boldsky.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *