Home / সাজঘর / ঋতু বদলের সাথে সাথে জেনেনিন আপনার লুক বদলের সাজ !

ঋতু বদলের সাথে সাথে জেনেনিন আপনার লুক বদলের সাজ !

সাজ নিয়ে নিত্যনতুন নিরীক্ষা করার আগ্রহ বা সময় নেই। তবু নিজেকে নতুনভাবে দেখতে কে না ভালোবাসে! আপনার জন্যই আজকের আয়োজন। কম সময়ে লুক বদলের কয়েকটি সাজ দেখিয়েছেন ওমেন্স ওয়ার্ল্ডের রূপবিশেষজ্ঞ ফারনাজ আলম। গ্রন্থনা : মারজান ইমু

সালোয়ার-কামিজ
বেইজের জন্য ফাউন্ডেশনের বদলে সানস্ক্রিন দিয়েই বেইজ শুরু করুন। প্রথমে ময়েশ্চারাইজার দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে সানস্ক্রিন লাগান। চাইলে সানস্ক্রিনের সঙ্গে বেবি ক্রিমও ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপর লুজ পাউডার বা বেবি পাউডার দিয়ে বেইজ শেষ করুন। চোখের পাতায় সোনালি রঙের ছোঁয়া, চোখের কোনায় মিশিয়ে দেওয়া কাজল আর উজ্জ্বল লিপস্টিক। চোখের সাজে পরিপূর্ণতা আনবে মাশকারা। চোখের সতেজ ভাবের সঙ্গে ঠোঁটের উজ্জ্বল কালার টোন সাজে আনবে বর্ণিল স্নিগ্ধতা। ব্লাশনে গোলাপি রং লাগান। এখন দিনের সাজেও হাইলাইটার ব্যবহার হচ্ছে। সাজের শেষে অল্প শিমারি পাউডারের ব্যবহার করতেই পারেন। এবার চুলের সাজ। স্ট্রেইট চুলে ব্লো ডাই ভালো দেখায়। স্নিগ্ধ ও হালকা এই সাজের সঙ্গে প্রথমে চুলগুলো ব্লো ডাই করে নিন। সামনের চিকন দুটি বেণি বা টুইস্ট করে পেছনে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিন। সহজ-সতেজ সাজ তৈরি।

পাশ্চাত্য পোশাকে
ত্বকে দাগছোপ থাকলে মনোযোগ দিতে হবে মেকআপ বেইজে। চোখের চারপাশের কালো অংশ বা দাগ ঢাকতে প্রথমে শুধু প্রয়োজনীয় অংশে কনসিলার লাগিয়ে নিন। আর পুরো মুখে ময়েশ্চারাইজারযুক্ত ফাউন্ডেশন। এর ওপর কমপ্যাক্ট পাউডার বুলিয়ে নিলেই হয়ে গেল বেইজ। চোখের সাজে আইব্রো পাবে বিশেষ গুরুত্ব। হালকা বাদামি পেনসিলে আইব্রো এঁকে ব্রাশ দিয়ে শেপ ঠিক করে নিতে হবে। চোখের আবেদন ফুটিয়ে তুলতে ল্যাশ ব্যবহার করতে পারেন। চোখের সাজে কালো স্মোকি আই বেছে নেওয়া যেতে পারে। সঙ্গে হালকা রুপালি হাইলাইটার। সবশেষে মাশকারা। ঠোঁটের সাজে যেকোনো ন্যুড ধাঁচের রং ব্যবহার করা যেতে পারে। হতে পারে টেরাকোটা, ক্যারামেল, পিংক বা হালকা পার্পেল। লিপস্টিকের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্লাশন লাগান। সামনের চুলগুলো অল্প পাফ করে বেশ কয়েক ভাগে ভাগ করুন। ছোট ছোট টুইস্ট করে ক্লিপ দিয়ে পেছনে আটকে দিন। পেছনের চুল ছাড়া থাকুক।

পাশ্চাত্য কাটের অফ শোল্ডার বা কোল্ড শোল্ডার গাউনের সঙ্গে পাশ্চাত্য ধাঁচের সাজ ভালো দেখাবে। একই সাজে লুক বদলে ফেলতে পারেন চুলের সাজ দিয়ে। এক পাশে সিঁথি করে দুই পাশে আর পেছনের চুল হালকা পাফ করে নিন। এবার ব্লোডাইয়ের বদলে সব চুল কার্ল করে ফেলুন। কার্ল করে চুল ছেড়ে রাখতে পারেন কিংবা সামনের দুই পাশে কয়েকটি কার্ল ছেড়ে পেছনের চুলে ফ্যান্সি খোঁপাও করতে পারেন।

শাড়িতে সুন্দর
শাড়ির সঙ্গে হোক ঐতিহ্য আর আধুনিকের মেলবন্ধন। সালোয়ার-কামিজ বা গাউনের সঙ্গে প্রতিদিনের আধুনিক লুকের পরিবর্তে একদিন ভিন্ন ধারার সাজ হুট করে লুক বদলে দেবে। ঐতিহ্যবাহী কাতান শাড়ির সঙ্গে স্লিভলেস ব্লাউজ বেছে নিতে পারেন। আইব্রো এঁকে নিন। চোখে থাকুক হালকা রঙের শিমারি আইশ্যাডোর ছোঁয়া। কপার কিংবা পিংকের সঙ্গে সোনালি শিমারি আইশ্যাডো ব্লেন্ড করে দিন। আইলাইনারের ব্যবহার হতে পারে। তবে চোখের বাইরে না টেনে চোখের কোণ পর্যন্ত থাকুক লাইনারের রেখা। সজীব ও প্রাণবন্ত দেখাতে মাশকারার জুড়ি নেই। কয়েক কোট মাশকারা লাগান। হাসলে গালের যে অংশ ফুলে ওঠে, সেখানে ব্লাশনের হালকা ছোঁয়া রাখুন। নাক, কপাল আর চিবুকেও হালকা হাতে ব্লাশন ব্রাশ বুলিয়ে নিন। শাড়ির সঙ্গে রং মিলিয়ে লিপস্টিক আর টিপ পরুন। ফিউশন এই সাজে চুলের সাজ হবে সাবেকি ধাঁচের। মাঝখানে সিঁথি করে দুই পাশের চুল টেনে পেছনে হাতখোঁপা করলে ভালো দেখাবে। শাড়ির সঙ্গে মানিয়ে কানে পরুন ঝুমকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *