Home / মনের জানালা / শাশুড়ির মন জয় করার ৫টি সহজ টিপস!

শাশুড়ির মন জয় করার ৫টি সহজ টিপস!

বউ-শাশুড়ির সম্পর্ক ভালো না হলেই বিপদ। বিয়ের পর কিছুদিন সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তীতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মনোমালিন্য দেখা দেয়। শাশুড়ি যা করতে চান বউ তা পছন্দ করেন না। আবার বউ যা করতে চান শাশুড়ি তা পছন্দ করেন না। এ নিয়ে নীরব ক্ষোভ একসময় বিস্ফোরণে রূপ নেয়। এর ফলে দুজনের সম্পর্ক দা-কুড়ালে চলে যায়। শাশুড়ির কাছে মায়াময়ী আচরণ আশা করেও তা আর সম্ভব হয়ে উঠে না। বরং উল্টোটাই ঘটতে দেখা যায়। বউ-শাশুড়ির যুদ্ধ মূলত এ কারণেই ঘটে থাকে। মুখে না বললেও শাশুড়ির কিছু কাজ প্রায় অধিকাংশ বউয়ের কাছে ভীষণ বিরক্তিকর। বিরক্তিকর বিষয়গুলো চাপা রাখতে না পারার কারণেই অনেক সময় ঝগড়ার রূপ নেয়। আর বউ-শাশুড়ির এ সম্পর্ক পরিবারের সবাইকে বিষিয়ে তুলে।

যদিও পৃথিবী যতো আধুনিক হচ্ছে মানুষের মানসিকতাও অনেক আধুনিক হচ্ছে। তবুও অনেকে এখনও এতোটা আধুনিক হয়ে উঠতে পারেননি যে একজন শাশুড়ি তার ছেলের বউকে নিজের মেয়ের মতো ভেবে তার জন্য চিন্তা করবেন। আবার অনেক মেয়েই শাশুড়িকে নিজের মায়ের মতো ভাবতে পারেন না। তবে কিছু ক্ষেত্রে উল্টোটাও ঘটে।

সমস্যা যাই হোক না কেন, যারা ভালো মনের মানুষ তারা দু’জন দুজনের মন পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে যান। তবে ঘরের বউদের শাশুড়ির মন পাওয়ার জন্য এমন কিছু করা উচিৎ নয়, যাতে হিতে বিপরীত হয়ে যায়। এই সব কাজ করলে বরং মন পাওয়ার চাইতে উল্টোটাও ঘটতে পারে।

১) মিথ্যা বলতে যাবেন না
শাশুড়ির মন পাওয়ার জন্য ভুলেও মিথ্যে বলতে যাবেন না। যা সত্যি তা যদি তার কাছে খারাপও লাগে তাও সত্যি বলুন। কারণ এখন মিথ্যে বলে হয়তো কিছুটা সময়ের জন্য পার পাবেন কিন্তু যে কোনো সময়ে সত্যি প্রকাশের ভয় থাকবে। এবং সত্যি প্রকাশ পেলে তখন আরেক সমস্যা সামনে এসে দাঁড়াবে।

২) একেবারে সব কথা বলে দেবেন না
অনেকেই ভাবেন শাশুড়ির সাথে ভাব জমিয়ে সব কথা বলে দিলে শাশুড়ির মন পাওয়া যাবে। কিন্তু সত্যি বলতে কি এই ভুল কাজের জন্য আপনি নিজেই বিপদে পড়তে পারেন। একেবারে সব বলে নিজেকে উন্মুক্ত করে দেবেন না। তিনি আপনার মায়ের মতো হলেও মা নন যে আপনার সব ভুল ক্ষমা করে আপনাকে মেনে নিতে পারবেন। প্রয়োজন না হলে সবকিছু বলার দরকার নেই।

৩) একেবারে পারফেক্ট হতে চেষ্টা করবেন না
কখনোই কারো মন পাওয়ার জন্য পারফেক্ট হওয়ার চেষ্টা করবেন না। আপনি যেমন নিজেকে সেভাবেই উপস্থাপন করুন। এতে করে আপনার প্রতি আশা আকাঙ্ক্ষার পরিমাণও কমে যাবে এবং বিশেষ করে শাশুড়ি আপনি যেমন সেভাবেই মেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন। আপনি নিজেকে যতো পারফেক্ট করে উপস্থাপন করতে যাবেন, চাহিদা আরও বাড়তে থাকবে।

৪) রাগ করতে যাবেন না
শাশুড়ির সাথে মন খারাপ করে রাগ করে তার মন পাওয়ার চেষ্টা করতে যাবেন না। তিনি বড় মানুষ এবন গুরুজন। মায়ের সাথে রাগ করে অনেকেই কার্যসিদ্ধি করে নিতে পারেন, কিন্তু এই পদ্ধতি শাশুড়ির সাথে খাটাতে যাবেন না। ভুল বোঝাবুঝির অবসান করতে কথা বলুন। রাগ করে বসে থাকবেন না।

৫) শাশুড়ির সামনে স্বামীর অতিরিক্ত খেয়াল রাখতে যাবেন না
অনেক শাশুড়িই এই ব্যাপারটি পছন্দ করেন না। তবে সকলে এমন নন। কিন্তু তারপরও একজন মায়ের চাইতে অন্য আরেকজন তার ছেলের প্রতি অতিরিক্ত কেয়ার দেখাচ্ছে তা অনেকেরই মানতে বেশ কষ্ট হয়। তাই স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত কিছুই করতে যাবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *