Home / ফিটনেস / না খেয়ে ওজন কমানোর সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন!

না খেয়ে ওজন কমানোর সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন!

স্বাস্থ্যসচেতন মানুষদের সবচেয়ে বড় টেনশনটা হলো ওজন কমানো। কিংবা একে নিয়ন্ত্রণে রাখা। বিশেষ করে ইন্সটাগ্রামের ওজন কমানো কোর্সের আগে ও পরের ছবিগুলো অন্যদের জন্যে সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। সেখানে সবার মাঝে সফলতার চূড়ান্ত নমুনা দেখিয়েছেন ৫৭ বছর বয়সী জেনেভাইভ ডেভিডসন। তার আগে ও পরের রূপান্তর সত্যিকার অর্থেই এক অনন্য সাফল্যগাথা। তবে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে তিনি না খেয়ে থাকার পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন।

বেশিরভাগ মানুষই ওজন কমাতে এক বা দুই বেলা না খেয়ে থাকার পথে এগোতে থাকেন। কিন্তু কেবল না খেয়ে থাকলেই হবে না। বিশেষ পদ্ধতিতে এগোতে হবে। এই নারী মাত্র এক বছর বিশেষ নিয়মে এগিয়েছেন। এতে তার অবস্থা যতটা বদলেছে তা দেখে তিনি নিজেই বিস্মিত।

কম খাওয়া বা বিশেষ পদ্ধতিতে না খেয়ে থাকার এ পদ্ধতির নাম ‘ইন্টারমিনেন্ট ফাস্টিং’। সবিরাম চলতে থাকবে তা। আর এ কাজের অনেক উপায় রয়েছে। তবে ওজন ৩০ কেজি কমাতে সফল হলেও মাঝে মাঝেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে যেতো। প্রায় সময়ই হারানো ওজন আবারো ফিরে আসতো। প্রথম অবস্থায় পার্টটাইম ফাস্টিংয়ে অভ্যস্ত হলেন তিনি। প্রথমে সপ্তাহের দুই দিনে ৫০০ ক্যালোরি করে খাবার খেতেন। এভাবে মোট ৫ দিনে ১২০০ ক্যালোরি কমালেন। এভাবে বিভিন্ন ধরনের উপবাসের পদ্ধতি প্রয়োগ করলেন নিজের ওপর। আর পেয়ে গেলেন সেই সফলতা।

এখানে আপনার জীবনযাপনের পদ্ধতি অনুযায়ী বেশ কয়েক ধরনের ফাস্টিং পদ্ধতি তুলে ধরা হলো। এগুলো আপনাকে বেশ খানিকটা ওজন কমাতে সহায়তা করবে।

৫:২ ডায়েট
এ পদ্ধতিতে আপনি প্রতি সপ্তাহে যেকোনো দুই দিন ৫০০-৬০০ ক্যালোরি খাবার খেতে পারবেন। সপ্তাহের বাকি দিনগুলো স্বাভাবিকভাবেই চলবেন।

ইট-স্টপ-ইট
প্রতি সপ্তাহে একদিন বা দুই দিন খাবার গ্রহণ বন্ধ করে দিন। সবকিছু বন্ধ করতে হবে না। পানি বা স্বাস্থ্যকর পানীয়ের ওপর চলতে পারেন।

১৬/৮ মেথড
প্রতিদিন সকালের নাস্তা খাওয়া বাদ দিতে পারেন। বাকি বেলায় ৮ ঘণ্টা পর পর খাওয়ার অভ্যাস করুন। অর্থাৎ বেলা ১২টায় একবার খেলে পরের খাবার গ্রহণ করবেন রাত ৮টায়।

উপকারিতা
১. এসব পদ্ধতিতে প্রথমেই আপনার পেটের চর্বি কমে আসবে। না খেয়ে থাকলে দেহের হরমোনের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং এতে ওজন কমবে। স্বল্প সময়ের জন্যে না খেয়ে থাকলে বিপাকক্রিয়া উন্নত হয়। এতে অনেক বেশি ক্যালোরি পোড়ে।

২. এসব পদ্ধতিতে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটা কমে আসে। ইনসুলিনের মাত্র সুষ্ঠুভাবে বজায় রাখে এবং রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমিয়ে আনে।

৩. ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর এক গবেষণায় বলা হয়, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের কারণে দ্রুত মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়ার কার্যক্রম ধীর হয়ে যায়। ফলে আয়ু বাড়ে। যদি অবিরাম এ পদ্ধতিতে এগোতে পারেন যে আরো সুস্থ ও দীর্ঘায়ু জীবন লাভ করা যায়।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *