Home / সাজঘর / মেকআপ নষ্ট না হওয়ার জন্য বেস প্রাইমার কিভাবে ব্যবহার করবেন জেনেনিন এখনি!

মেকআপ নষ্ট না হওয়ার জন্য বেস প্রাইমার কিভাবে ব্যবহার করবেন জেনেনিন এখনি!

বিদেশী প্রায় সব বিউটি ব্লগারদের দেখা যায় ফাউন্ডেশন ব্যাবহার করার পূর্বে একটি ভালো মানের প্রাইমার মুখে লাগিয়ে নেয়। প্রায় সব মেয়েরাই চায় মেকআপ দেখতে যেনো সুন্দর হয়,কিছুক্ষন পর যেনো নষ্ট হয়ে না যায়, ঘেমে না যায়, গলে না যায়, ফেটে না যায় বা দেখতে খারাপ না হয়। একটি ভালো মেকওভারের পূর্ব শর্ত হচ্ছে বেস মেকআপ। আর ভালো বেস মেকআপ করার জন্য প্রাইমার এর কোন বিকল্প নেই। প্রাইমারের কিছু গুণগত মান ও উপকারিতাও আছে।

আসুন জেনে নেই প্রাইমার এর – গুণগত মান ও উপকারিতা সম্পর্কে –

প্রাইমার প্রয়োজনীয় একটি জিনিস পারফেক্ট মেকওভারের জন্য। মেকআপ প্রাইমার মেকআপকে লং লাস্টিং করে। দিন দিন প্রাইমারের জনপ্রিয়তা কমছে না বরং একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে গত কয়েক বছরে মেকআপ প্রাইমারের ব্যাবহার কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস এর একটি রিপোর্টে দেখা যায়, ২০০৬ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ইউএস এ মেকআপ প্রাইমারের বিক্রয় ক্ষমতা ৭৩% বৃদ্ধি পেয়েছে।

মেকওভারের জন্য মুখে ফাউন্ডেশন দেয়ার পূর্বে প্রাইমার লাগানো হয়। এটি সাধারণত ব্যাবহার করা হয় স্কিনকে মেকআপের জন্য প্রস্তুত করে নিতে। অনেক সময় দেখা যায় মুখে ফাউন্ডেশন, ফেস পাউডার এসব ব্যাবহার করার পরে মনে হয় মেকআপটি কেমন ভেসে আছে।

তার প্রধান কারণ ফাউন্ডেশনটি স্কিনের সাথে ভালো ভাবে মিশে না যার ফলে এটিকে দেখতে আলাদা একটি মাস্ক মনে হয়।এটি ফাউন্ডেশন সহ অন্যান্য উপকরণ গুলো কে স্কিনের সাথে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে।

উপকারিতাঃ

প্রাইমার ব্যাবহারের বেশ কয়েকটি উপকারী দিক রয়েছে। ইতোমধ্যে যে কয়েকটি কারণে প্রাইমার এতো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মেকআপ প্রেমীদের কাছে আসুন জেনে নেই –

– ত্বককে কোমল করে

– নরম করে

– ত্বকের পোরগুলোকে ছোট করে

– মেক আপকে দেখতে নেচারাল মনে হয়

– এন্টি এজিং

– নন- কমেডোজেনিক, মানে ফেটে যায় না

– ইজি টু এপ্লাই

– লাইট ওয়েট

– মেক আপ দীর্ঘ সময় স্টে করে

– রিডিউস রেডনেস

– ব্রণ গুলো কে হাইড করে

মেকআপ প্রাইমারের ব্যবহারে ত্বকের পোর গুলোকে ছোট করে দেয়, ত্বকের উপর একটি স্মুথ টেক্সচার তৈরি করে, ত্বকের অতিরিক্ত তেল গুলোকে শোষণ করে নেয়, ত্বককে দেখতে মসৃণ করে।সাধারণত ফাউন্ডেশন, লিপ্সটিক, মাশকারা, আইশেডো এমন কি নেইল পলিশ লাগানোর আগে প্রাইমার ব্যাবহার করা হয়।

তাই কিনার আগে অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের দেখে কিনবেন।এটি আপনার ত্বকে এন্টি এজিং হিসেবে কাজ করবে। অনেকের মুখে রেডনেস থাকে,তিল থাকে, অনেক রকম দাগ থাকে। প্রাইমার এই দাগ গুলোকে হাইড করতে সাহায্য করে। এছাড়া দেখা যায় ফাউন্ডেশন লাগানোর কিছুক্ষন পরে মেক আপ ফেটে যায় বা দেখতে কেকি ভাব হয়। প্রাইমারের মদ্ধে থাকে প্রয়োজনীয় এন্টি অক্সিডেন্ট এবং মিনারেল যা ত্বককে মইশ্চারাইজ করে, প্রয়োজনীয় নিউট্রিশন যোগায়।

আপনি আপনার ত্বকের ধরণ বুঝে প্রাইমার নির্বাচন করতে পারেন। বাজারে এখন বিভিন্ন রকম প্রাইমার কিনতে পাওয়া যায়। যেমন, ওয়াটার বেজ প্রাইমার, মিনারেল বেজ , নেচারাল , অয়েল ফ্রি , সুগন্ধী-ফ্রি ইত্যাদি। ফুল কাভারেজ মেকআপের জন্য প্রাইমার এর কোন বিকল্প নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *