Home / মনের জানালা / কোন ধরণের পুরুষদের নারীরা এড়িয়ে চলেন জেনে নিন!

কোন ধরণের পুরুষদের নারীরা এড়িয়ে চলেন জেনে নিন!

নারীরা আর কিছু বুঝুক না বুঝুক এটা ঠিক ই বুঝে কাকে এড়িয়ে চলতে হয়। বিশেষ করে প্রেম-ভালোবাসার ক্ষেত্রে তাঁদের পছন্দ আরও অনেক বেশি তীক্ষ্ণ। অনেক পুরুষই মনে মনে ভাবেন, কোনো নারী তাঁকে কেন পছন্দ করে না? বেশ, তাহলে জেনে রাখুন সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন কোন ধরণের পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলেন নারীরা। আর মিলিয়ে নিন, আপনার মাঝে সেই দোষখানা নেই তো!

পরিবর্তনশীল:
কিছু মানুষ থাকে যারা খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে। এদের মানসিক অবস্থাও দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে যায়। এধরণের মানুষের সাথে তাল মিলিয়ে চলা বা এদের মন রক্ষা করা সত্যিই বড্ড কঠিন। এই এরা হাস্যোজ্জল, তো এই অগ্নিমূর্তি। এধরণের পরিবর্তনশীল পুরুষকে মেয়েরা সাধারণত এড়িয়েই চলে।

‘আমি, আমার’ ধরণের পুরুষ:
ধরুন, আপনি একজনের সাথে রেস্টুরেন্টে গেছেন। সঙ্গী পুরুষটি আপনাকে মেন্যু চেক করতে দিলেও খাবার অর্ডার করল নিজ পছন্দে। এরপর ধরুন, আপনি তার সাথে ফোনে কথা বলছেন। তিনি তার দিন কেমন গেল, নিজের কী অবস্থা দিয়ে শুরু করল কথা এবং শেষও করল নিজের কথা দিয়েই। যদি আপনি মনে মনে প্রত্যাশা করেন, তার সাথে বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে ছবি দেখবেন, তার ইচ্ছার কারণে আপনাকে গিয়ে বসে থাকতে হল কোনো রেস্টুরেন্টে। এক কথায় বলে দেওয়া যায়, এই লোক প্রচন্ড স্বার্থপর। মেয়েরা এধরণের পুরুষদেরকে সবসময়ই এড়িয়ে চলতে চায়।

‘আমি তো বাচ্চা’ পুরুষ:
এধরণের মানুষ কখনোই বড় হয় না। আপনি যতই চেষ্টা করেন না কেন, এদেরকে মানসিকভাবে বাস্তববাদী করতে, এরা হবে না। নিজেকে শিশু মনে করেই এরা সুখী এবং সবসময়ই শিশুই থেকে যেতে চায়। আচরণও এদের শিশুসুলভ। এধরণের ছেলেদের সাধারণত বাস্তববাদী যেকোনো মেয়েই এড়িয়ে যায়।

ফ্লার্টকারী:
যে ছেলে যেকোনো মেয়ের সাথেই ফ্লার্ট করে, তাদেরকে সাধারণত সব মেয়েই এড়িয়ে চলে। এদের হাত থেকে সমাজের উচ্চ থেকে নিন্ম কোনো শ্রেণীর মেয়েই রক্ষা পায় না। এধরণের ছেলের জীবন ইতিহাসও তেমন গ্রহণযোগ্য কিছু হয় না। তার সম্পর্কে একটা কথাই বলা যায়- সে কারোর ব্যাপারেই কখনো গভীরভাবে ভাববে না।

‘তোমাকে আমার খুব দরকার’ টাইপ ছেলে:
এধরণের মানুষ খুব দ্বিধাগ্রস্ত হয় এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে সবসময়। সে হৃদয়জুড়ে যেমন আবেগ নিয়ে আপনার দ্বারে হাজির হবে, ঠিক একইভাবে দ্বিধাদ্বন্দ্বকেও বিনামূল্যে বয়ে নিয়ে আসবে আপনার জীবনে। তার আগমনে আপনার জীবনে শুধুই জটিলতারই সৃষ্টি হবে। এধরণের পুরুষদের থেকেও নিজেকে দূরে রাখে মেয়েরা।

খুব সহজেই আন্দাজ করা যায় যাদের:
এধরণের পুরুষ থেকেও মেয়েরা দূরে থাকে। কারণ এদের মাঝে কোনো নতুনত্ব থাকে না। কোনো কিছু করতে গেলেই বা ভাবলেই বোঝা যায়। কোনোরকম চমকে দেওয়ার ক্ষমতাহীন এসব পুরুষের চেয়ে মেয়েরা একা থাকতেই বেশি ভালোবাসে।

দাম্পত্য জীবনের সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায় এক শ্রেণীর পুরুষ। খুব সরল মাটির মানুষ হলেই এই ধরণের ছেলেদের সঙ্গে সংসার করা অসম্ভব। আধুনিক বা প্রগতিশীল নারীদের এদের থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

মায়ের আঁচলের তলায় থাকা ছেলেদের মধ্যে পুরুষ সুলভ ব্যক্তিত্ব থাকে না। অনেক সময় মায়ের অন্যায় আচরণ সহ্য করে স্ত্রীর বিরুদ্ধাচরণ করে। এই প্রকার ছেলেদের ক্ষেত্রে আবার উলটোটাও করার প্রবণতা থাকে। বিয়ের পর মা-এর সঙ্গে বিরোধ করে স্ত্রীর প্রতি অতিমাত্রায় দুর্বল হয়ে যায়। এটাও সুস্থ সংসারে কাম্য নয়।

শেষের কারণটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বহুল প্রচলিত একটা কথা রয়েছে যে খারাপ ছেলেদের প্রতি মেয়েদের আকর্ষণ বেশি থাকে। কথাটির মধ্যে বিন্দুমাত্র ভুল নেই। নানা গবেষণায় এই প্রবাদটির সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। মেয়েদের ধারণা থাকে যে পরে ছেলেটির পরিবর্তন হবে। নিজগুণে পুরুষ সঙ্গীর মধ্যে বদল আনবেন বলেও মনে করেন অনেক মহিলা। কিন্তু, এই ভাবনা মহিলাদের বিরাট ভুল। যার খেসারত দিতে হয় দাম্পত্য জীবনে। এই প্রকারের ছেলেরা কখনোই ভালো হয় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *